হঠাৎ একটা কাজ পরে গ...
 
Notifications
Clear all

হঠাৎ একটা কাজ পরে গেল  

  RSS
 Anonymous
(@Anonymous)
Guest

হঠাৎ একটা কাজ পরে গেল,গন্ত্যব্যের অফিসটা কোথায় দেখেছিলাম আমার মনে পরতেছেনা,সীতাকুন্ড সদরে বাস থেকে নেমে কিছুক্ষন চিন্তা করলাম অফিসটা কোথায় হতে পারে।কাউকে জিজ্ঞেস করব কিনা ভাবলাম,হঠাৎ মনে পরল আলম সওদাগরের খরিদকৃত দালান পুরোনো ল্যাব্রোটরিতে আমার কাঙ্খিত অফিসটা দেখছিলাম হয়ত।এলাকাটা আমার পরিচিত কেননা আমি সীতাকুন্ড কলেজে পড়াকালীন এ রাস্তায় অনেকবার আসা যাওয়া করেছি। নামার বাজারের রাস্তা দিয়ে দেড় কিলোমিটার গেলে গোলাবাড়ীয়া গ্রাম, এ গ্রামের আলম দারোগার বাড়ীর লাইনম্যান কমল কদর এর চোট মেয়ে নার্গীসের সাথে ভুলবশত আবেগের বশবতী হয়ে প্রেমে পরে গিয়েছিলাম।হ্যাঁ ভুলবশত বললাম এ কারনে যে,কোন কোন মহিলাকে দেখলে এমন মনে হয় যেন তার মত ভদ্র, মার্জিত,চরিত্রবতি মহিলা পৃথিবীতে আরেকটা খুজে পাওয়া যাবেনা,তার উপরের খোলস দেখে চিনাই যাবেনা তার ভিতরে কত পরিমানের নোংরামী লুকিয়ে আছে। নামার বাজারের রাস্তা দিয়ে হাটছি আর নার্গীসের কথাগুলো ভাবছি। নার্গীসের সাথে অবৈধ সম্পর্কের অতীতের সকল কথা মনে উকিঝুকি মেরে উঠল।আমি ইন্টারমিডিয়েট পাস করে থার্ড ইয়ারে ভর্তি হলাম, নার্গীস ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হল। নার্গীস রুপের দিক হতে তেমন আহামরি ছিলনা তারপর ও চোখে পরার মত একটা মেয়ে ছিল। উন্নত বক্ষ দুধগুলো ছিল ভারী লোভনীয়, চোখের চাহনী ছিল পুরুষ পটানো।
তার বাকা চোখের চাহনীতে কলেজের অনেক ছেলে অন্তরে অন্তরে আহত হত।তার পাছাটা লক্ষ্য করার মত,গোলগাল মুখের সুন্দর একটা চেহারার অধিকারিনী আমার ধারনা কলেজের এমন কোন ছেলে নাই যার মনে নার্গীসকে একবার চোদার আখাঙ্কা করেনি। পৃথীবিতে সকল মানুষের আখাঙ্খা বাস্তবতার মুখ না দেখলে ও নার্গীস কে চোদার আমার বাস্তবতার রুপ দেখতে পেরেছিল।সেদিন কলেজে মেয়েদের কমন রুমের সামনে দিয়ে দ্রুত হেটে আসছিলাম হঠাৎ বিপরীত দিক হতে আসা নার্গীসের বুকের সাথে আমার বুকের একটা ধাক্কা লেগে যায়,আমি সরি বলে চলে আসার সময় নার্গীস একটু মুচকি হেসে উঠল,আমার প্রশস্ত বক্ষ নার্গীসের দুনো দুধের উপর চেপে গিয়েছিল,ধাক্কা সামলাতে না পেরে নার্গীসের মুখ এসে আমার কাঁধের উপর আচড়ে পরে,আমার মুখ ও তার কাঁধের উপর গিয়ে লাগে যেন মনে হল আমরা চোদনকর্মের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।সেদিনের পর হতে নার্গীস আমাকে দেখলেই মাত্র একটা মুচকি হাসি উফহার দিত আমিও হাসতাম। সারাদিন আমার মনের ভিতর কল্পনা চলত কিভাবে নার্গীসের সাথে লাইন করা যায়, বিয়ে করতে পারি আর না পারি একবার যদি চোদা যেত! ইস একবার!
একদিন কলেজ গেটে ঢুকার সময় তার সাথে দেখা হল,জিজ্ঞেস করলাম এই শোন,
উল্টে ফিরে তাকাল, এই শোন কে কাকে বলে জানেন? আপনি।
আগে না জানলেও এখন জানি।
কাকে বলে বলেনত,
আজ থেকে আমি তোমাকে বলতে চাই, এবং এখন থেকে শুরু করলাম।
যান বলে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে কলেজের ভিতরে চলে গেল।
আমার সেদিন ক্লাশ করা হলনা, সারাদিন তার হাসিটা যেন আমার সারা হৃদয় জুড়ে যৌনতার ঝলকানী দিতে লাগল।
মাঝে মাঝে আমার ধোনের উপর হাত দিয়ে দেখি সে কেমন আছে, তাকে জিজ্ঞেস করি এই বেটা নার্গীসর সোনার ভোতর ঢুকতে চাস?চাইলে কখন ঢুকবি বল? আমি কিন্তু তোকে নার্গীসের সোনার ভিতর ঢুকাবই।সাফ বলে দিলাম।নার্গীসের অফ পেরিয়ডে মহিলা কমন রুমের দিকে গেলাম,তাকে ইশারায় ডাকলাম মুচকি হাসি দিয়ে জিব ভেংচিয়ে বিদায় দিল কিন্তু আসলনা।ুপায়ন্তর না দেখে কলেজ গেটে অপেক্ষা করতে থাকলাম, ক্লাশ শেষ হলে নার্গীস বাড়ীর দিকে রওনা হল আমি একটু দুরত্বে থেকে বললাম, সকালে কোন কথা না বলে চলে গেলে কেন?বলল, আপনিত কোন কথা জানতে চান নাই শুধু শুনতে বলেছেন আমি শুনেই চলে চলে গেছি,তার সাথে আরো একজন মেয়ে ছিল সে খিলখিল করে হেসে উঠল।বললাম নাম না জানা কাউকে প্রথমবার এভাবে ডাকতে হয়, আচ্চা তোমার নামটা কি যেন? যেভাবে প্রশ্ন করলেন মনে হল আগে জানতেন এখন ভুলে গেছেন? আগেও জানতে চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি তাই আজ সরাসরি তোমাকে জিজ্ঞেস করছি।নাম বলতে যদি তোমার কোন অসুবিধা না থাকে বলতে পার। নাম বলা হলনা হাটতে হাটতে আমরা ট্রান্ক রোডে এসে গেলাম,নার্গীস হাসিমাখা মুখে বলল চলে যান আরেকদিন বলব, সেদিন কিন্তু মিষ্টি খাওয়াবেন।পরের দিন দেখা হলে বললাম,তোমাকে মিষ্টি খাওয়াতে চাই,কোথায় খাবে?বলল, কলেজের পাশে মিষ্টির দোকান নাই মিষ্টি খেতে হলেত ট্রাংক রোডে যেতে হবে,এত কষ্ট করে খাবনা।চল তাহলে হাটতে হাটতে পুব দিকে যায়,নার্গিস ও আমি হাটতে লাগলাম, তোমার নাম জানা হলনা,কেন আমার নাম সত্যি কি জানেন না?

Quote
Posted : 09/07/2011 7:20 pm
 Anonymous
(@Anonymous)
Guest

হ্যাঁ জানি তবে তোমার মুখ থকে শুনতে চাই,বলল, নার্গিস আক্তার,বাহ খুব সুন্দর নামত,এনামের সব মেয়েই মনে হয় সুন্দরী।সেদিন তার পুরো পরিচয় পেলাম,পুরো ঠিকানা পেলাম তাদের বাড়ীতে ও গিয়েছিলাম কয়েকবার।একদিন নার্গীস বলল, চলো আমার এক বান্ধবীর বাসায় যায়, বান্ধবীর বাসা ছিল কলেজের পাশে, ইসরাইল কোম্পানীর বাসায় বান্ধবীর বাবা ভাড়া থাকতেন,আমরা ক্লাশ ফাকি দিয়ে তাডের বাসায় আড্ডা মারার জন্য গিয়ে দেখি বান্ধবী ছাড়া বাসায় কেউ নেই।বাসার শুন্যতা দেখে আমি নার্গীসের মনের বাসনা বুঝে ফেলেছি,বান্ধবি আমাদের চা খাওয়াল, আমি জানতে চাইলাম তার বাবা মা এবং পরিবারের অন্যরা কোথায়,আর সেইবা একা রয়ে গেল কেন? চা খাওয়ার পর বান্ধবী কাপড় চোপড় পরিস্কার বাহানা দিয়ে যেন কোথায় চলে গেল, আমি আর নার্গীস সামনি সামনি বসে আছি কারো মুখে কথা নেই,নার্গিস মুখ খুলল,বসে রইলে যে ভালবাসা করবে না? কি ভাবে শুরু করব ভাবছি, এই তুমিই শুরু করনা। বলতে না বলতে নার্গীস উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার বাম গালে একটা কিস দিল, আমি সাথে সাথে উত্তেজিত হয়ে পড়লাম।আমিও নার্গীসকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় শুয়ে দিলাম কোন কিছু না খুলে তার গালে চুম্বনের পর চুম্বন দিতে লাগলাম,আমার জিব তার মুখে ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে থুথু খেতে থাকলাম এবং আমার থুথু তাকে খাওয়াতে থাকলাম।আমার দু হাত তার দু দুধের উপর টিপে যাচ্ছি এবং জিব দিয়ে তার গাল, গলা চেটে যাচ্ছি।ততক্ষনে আমার আট ইঞ্চি বাড়া খাড়া হয়ে বাঁশের রুপ ধরন করেছে।আমি নার্গীসের কামিচ খুলে ফেললাম,আহ কি সুন্দর দুধ দেখে মন জুড়িয়ে গেল,খপ করে ডান হাতে একটা দুধ চেপে ধরলাম, ব্যাথা পেল,আস্তে ধরনা বলে নার্গিস শাসিয়ে উঠল,আমি পাগলের মত বচ বচ করে টিপতে লাগলাম,অন্য দুধে মুখ লাগিয়ে চোষা শুরু করলাম। নার্গীস চোখ বুঝে আহ ইহ ইস করে মৃদু মৃদু শব্ধের তালে আমার বাড়ায় খামচাচ্ছে এবং পেন্টের চেইন খুলতে চেষ্টা করছে।আমি পেন্ট খুলে উলঙ্গ হয়ে গেলাম, তার সেলোয়ার খুলে উলঙ্গ করলাম।আমি উলঙ্গ নার্গীস ও সম্পুর্ন উলঙ্গ কারো শরীরে এক ফোটা সুতা নাই,নার্গীসের একটা দুধ আমার গালে বোটা চোষার ফলে লাল হয়ে গেছে,অন্য দুধ বাম হাতের মাঝে পিষ্ঠ করছি ,নার্গিস শরির বাকিয়ে বাকিয়ে উঠছে,তার পর জিব দিয়ে তার গলা লেহন করতে করতে বুকে পেটে নাভীতে এসে সোনার দিকে তাকিয়ে দেখলাম,আহ কি পাইন!

ReplyQuote
Posted : 09/07/2011 7:20 pm
 Anonymous
(@Anonymous)
Guest

অনেকদিনের আখাঙ্খীত সোনা আমার সামনে আজ উম্মুক্ত ,আমার শক্ত বাড়াটার মুন্ডিটাকে তার রসালো সোনার ফাকে কয়েকবার ঘষে দিলাম, নার্গিস চিৎকার করে উঠল বলল এত দেরী করছ কেন? তুমি বাড়া ঢুকাচ্চনা কেন? তুম আমায় চোদবেনা? হ্যাঁ চোদবইত একটু তোমাকে তাতিয়ে নিচ্ছ। আর তাটায়োনা আমি আর পারছিনা আমায় চোদন শুরু করকর্কশ গলায় নার্গীস বলল। আমি নার্গীসের কোমর টেন চৌকির কারায় আনলাম এতে যেন নার্গিসের সোনা আরো একটু ফাক হল,বাড়াটাকে সেট করে এক ঠাপ দিলাম পচ পচাৎ করে ঢুকে গেল।নার্গীস মাগো বলে ককিয়ে উঠল, বলল কি ঢুকালেগো আমার সোনায় আমার সোনার ভিতরেত জ্বলে পুরে যাচ্ছে। আমি কিছুক্ষন চেপে ধরে রাখলাম, সে চোখ বুঝে পরে আছে, বললাম ঠাপাবো? মাথা নেড়ে সম্মতি দিল, আমি বাড়া বের করে দিলাম এক ঠাপ।নার্গীস আহ করে উঠল,বললাম আস্তে শব্ধ কর তোমার বান্ধবী শুনতে পাবে, আমি ঠাপাতে ঠাপাতে প্রায় দশ মিনিটের মত ঠাপালাম,নার্গীস মোচড়ায়ে উঠল আহ ইহ বলে কল কল করে মাল ছেড়ে দিল। আমিও আর ধরে রাখতে পারলাম না আমার মাল গল গল করে নার্গীসের সোনার ভিতর ছেড়ে দিলাম।সেদিন চোদন শেষে তার বান্ধবী ভিতর রুমে তাকে বলতে শুনলাম, কিরে নার্গীস তোই ব্যাথা পাওয়ার অভিনয় করলি যে,তোলে না তোদের মাষটারে আগে চোদেছিল, বিছানায় তোর কোন রক্তই পরেনাই, হায় কি অভিনয় করলি, মনে হয় বিয়ে হলে তোর হাসবেন্ড এর সাথে ও অভিনয় চালিয়ে যাবি। নার্গীস বলল, চুপ সে শুনতে পাবে। আমি ঠিকই শুনেছিলাম কিন্ত না শোনার ভান করে তার সাথে আমিও প্রেমের অভিনয় করে অনেক দিন চোডেছি। আমায় ছাড়া ও নার্গিস অন্যকে দিয়ে চোদায়েছে আমি পরে জানলাম ক্লাশ সিক্স থেকে তার গৃহ শিক্ষকের দারা চোডায়েছে।
তার সমস্ত স্মৃতি ভাবটে ভাবতে আলম সওদাগরের বিল্ডিং এ গিয়ে উঠলাম। একতালা দুতলা সবখানে খুজে আমার কাঙ্খীত অফিসটা কে দেখতে পেলাম না।এদিক ওদিক দেখছিলাম হঠাৎ আমার সমস্ত শরীর ঝিম ধরে গেল, দেখলাম নার্গীস একটি রুমের দরজায় দাড়িয়ে আছে।আমাকে দেখে পুরোনো হাসি দিল, আমি তার দিকে এগোয়ে গেলাম, বললাম তুমি এখানে ? বলল আমি এখানে ভাড়ায় থাকি। বললাম বাড়ী কাছেই তোমি ভাড়ায় থাক কেন? বলল, ঐটা বাপের বাড়ী আর এটা নিজের, স্বামীর।বিয়ে হয়েছে কখন? জবাবে বলল আমার দুটি সন্তান আছে। তারা প্রাইমারী পড়ে।আমাকে বসতে বলল, আমার পুরানো স্বভাব জেগে উঠল, আমি বসেই তাকে ঝাপটে ধরলাম, বাধা দিতে চাইল আমি মানার পাত্র নই, তার দু দুধ টিপতে শুরু করলাম, চিৎ করে বিচানায় ফেলে দিলাম, বুকের আবরন খুলে দুধ টিপে টিপে আরেক দুধ চোষতে লাগলাম, কিছুক্ষনের মধ্যে নার্গীস হরনি হয়ে উঠল আর কিছু বলছেনা বাধাও দিচ্ছেনা, আমি জানতাম স্বামী না থাকার কারনে তাকে চোদতে খুব কষ্ট হবেনা, আমি নার্গীসের সোনা চোষে দিলাম সেও আমার বাড়া চোষে দিল, আমরা সেদিনের মত প্রান ভরে দুজনে চোদাচওদি করলাম। তারপর কয়েক দিন ধরে ছেলেরা স্কুলে চলে গেলে আমি টাইমলি চলে আসতাম এবং চোদচোদি করতাম। নার্গিস কিছুদিনের জন্য স্বামীর কথা ভুলে গেল।আমাকে আর কোনদিন বারন করেনি। আজও চলছে আর কতদিন চালাতে পারি জানিনা।

ReplyQuote
Posted : 09/07/2011 7:21 pm